ওয়েবডেস্ক। ২৬ অক্টোবর

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে পদ থেকে সরিয়ে দিলেই ৩০ সেকেন্ডের মধ্যে আন্দোলন বন্ধ হয়ে যাবে। সোমবার এমনই মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে নিশানা করলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। আগামী ১ নভেম্বর দিল্লির রামলীলা ময়দানে ইন্ডিয়া জোটের প্রস্তাবিত সমাবেশ পিছিয়ে দেওয়ার দাবিতে যখন সরব রাজধানীর ব্যবসায়ীরা, তখন তাঁদের উদ্বেগের কথা তুলে ধরে এই বার্তা দিলেন কংগ্রেস নেতা।সমাজমাধ্যমে দিল্লির ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে রাহুল লেখেন, তাঁদের উদ্বেগের কথা তাঁরা শুনছেন এবং ব্যবসায়ীদের প্রতি তাঁদের সহমর্মিতা রয়েছে। তাঁর অভিযোগ, সরকার মেট্রো পরিষেবা বন্ধ করেছে, রাস্তা অবরুদ্ধ করেছে এবং কার্যত রাজধানীকে অচল করে দিয়েছে।রাহুলের বক্তব্য, ভোট চুরি হলে কোনও কিছুই সুরক্ষিত থাকে না, আপনার দোকান, সঞ্চয় কিংবা সন্তানের ভবিষ্যৎও নয়।’ প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে তিনি আরও বলেন, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে পদ থেকে সরিয়ে দিলেই ৩০ সেকেন্ডের মধ্যে প্রতিবাদ বন্ধ হয়ে যাবে। নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগকে কেন্দ্র করেই কংগ্রেসের এই আন্দোলন।উল্লেখ্য, রামলীলা ময়দানে ১ নভেম্বরের সমাবেশ পিছিয়ে ১০ নভেম্বরের পরে করার আর্জি জানিয়েছে দিল্লির ব্যবসায়ী সংগঠন চেম্বার অব ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি। সংগঠনটির বক্তব্য, ধনতেরাস, দীপাবলি ও ভাইফোঁটার আগে এই সময়টি দিল্লির পাইকারি ও খুচরো বাজারের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই সময়ে রাস্তা অবরুদ্ধ করা, যান চলাচলে বিধিনিষেধ কিংবা মেট্রো পরিষেবায় বিঘ্ন ঘটলে বাজারে ক্রেতাদের যাতায়াত কমে যেতে পারে। ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে ব্যবসা।ব্যবসায়ী সংগঠনটির আশঙ্কা, সমাবেশকে কেন্দ্র করে উৎসবের মরশুমে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকার ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। আগের বিক্ষোভ ও রাস্তা বন্ধ থাকার কারণে ব্যবসায় ক্ষতি হয়েছে বলেও দাবি করেছে তারা। সেই পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি এড়াতেই কংগ্রেস নেতৃত্বের কাছে কর্মসূচি পিছিয়ে দেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে।অন্যদিকে, ১ নভেম্বরের সমাবেশে প্রায় ৫০ হাজার মানুষের জমায়েতের লক্ষ্য নিয়েছে কংগ্রেস। ‘দিল্লি চলো’ পদযাত্রা এবং ‘ভোট বাঁচাও, দেশ বাঁচাও’ কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার জন্য পড়ুয়া, কৃষক, শ্রমিক, মহিলা, যুবক-যুবতী ও ব্যবসায়ীদের আহ্বান জানিয়েছেন রাহুল গান্ধী।

error: Content is protected !!