ওয়েবডেস্ক। ১৭ জুন
অবশেষে শ্রীঘরেই ঠাঁই হল বিতর্কিত চিকিৎসক ডা. জয়ন্তপ্রসাদ দাস ওরফে জেপি দাসের। মহাসড়কের পারিজাত স্পা কাম রেস্তোরাঁ থেকে নাবালিকা উদ্ধারের ঘটনায় ওই রেস্তোরাঁর কর্ণধার ডা. জেপি দাসের বিরুদ্ধে উধারবন্দ থানায় মামলা দায়ের করা হয় বুধবার। মামলা দায়ের করা হয় নাবালিকার পরিবারের পক্ষ থেকে। এর ভিত্তিতে তাকে গ্রেফতার করে উধারবন্দ পুলিশ। এদিনই তাকে শিলচর আদালতে তোলা হয়। আদালতের নির্দেশে শেষপর্যন্ত তাকে হাজতে পাঠানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার রাতে বিতর্কিত চিকিৎসক জেপি দাসের লাঠিগ্রামস্থিত মহাসড়ক সংলগ্ন পারিজাত স্পা কাম রেস্তোরাঁ থেকে এক নাবালিকাকে উদ্ধার করেছিলেন স্থানীয় জনতা সহ তার পরিবারের লোকেরা।একসময় ক্ষুব্ধ জনতা ওই রেস্তোরাঁয় ভাঙচুর চালায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মাঠে নামতে হয় পুলিশকে। ঘটনার পর হোটেল মালিক তথা বিতর্কিত চিকিৎসক গা-ঢাকা দেওয়ার চেষ্টা করলে স্থানীয়রা তাকে ধরে ফেলেন। পরে উত্তম-মধ্যম দিয়ে তাকে পুলিশের কাছে সমঝে দেন। ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছিল গোটা এলাকায়। বুধবার নাবালিকার মায়ের তরফে উধারবন্দ থানায় জেপি দাসের বিরুদ্ধে এক এজাহার দায়ের করার পর এজাহারের ভিত্তিতে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে এবং এদিনই তাকে আদালতে তোলা হলে আদালত তাকে হাজতবাসে প্রেরণ করে বলে জানা গেছে।
এদিকে কাছাড় জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (হেড কোয়ার্টার) মানস কুমার শইকিয়া সংবাদ মাধ্যমকে জানান, মঙ্গলবার রাত আনুমানিক সাড়ে ১০টা নাগাদ তাঁরা জানতে পারেন, উধারবন্দ থানার অন্তর্গত লাঠিগ্রামের পারিজাত হোটেল থেকে নিখোঁজ নাবালিকাসহ আরও দু’জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় উধারবন্দ থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং তদন্ত প্রক্রিয়া চলছে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রজত কুমার পাল (ক্রাইম) সংবাদ মাধ্যমকে জানান, উধারবন্দ থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। নাবালিকাসহ অপর দু’জনকে কী কারণে সেখানে আনা হয়েছিল, হোটেলে কোনও বেআইনি কার্যকলাপ চলছিল কি না এবং পুরো ঘটনার পিছনে কোনও সিন্ডিকেট জড়িত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তক্রমে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানান তিনি।

error: Content is protected !!