ওয়েবডেস্ক। ১৭ জুন
বিদ্রোহী শিবসেনা (ইউবিটি) নেতাদের একটি দল লোকসভা স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে দেখা করেন বুধবার। সূত্রের খবর, তারা দাবি করেছেন, দলের নয় সাংসদের মধ্যে ছয়জন তাঁদের পাশে রয়েছেন।
যদিও বৈঠকে কী ঘটেছে তা নিয়ে সরকারিভাবে কিছু জানানো হয়নি। রাজ্যসভার সাংসদ তথা উদ্ধব ঠাকরে-ঘনিষ্ঠ সঞ্জয় রাউত জানিয়েছেন, শিবসেনা (ইউবিটি) থেকে কেউ একনাথ শিন্ডের নেতৃত্বাধীন শাসক শিবসেনায় যোগ দিতে চাইছে, এমন খবর তাঁদের কাছে নেই। দলের সাংসদদের বৃহস্পতিবারের বৈঠকে উপস্থিত থাকার জন্য তিন লাইনের হুইপ জারি করা হয়েছে দলের পক্ষ থেকে।
সঞ্চয় রাউত বলেন, ‘বৃহস্পতিবারের বৈঠকের পর সবকিছু পরিষ্কার হবে।’ তিনি নিজে অরবিন্দ সাওয়ান্ত ও অনিল দেশাইকে নিয়ে স্পিকারের সঙ্গে দেখা করেন। রবিবার উদ্ধব ঠাকরের ডাকা বৈঠকে পাঁচজন সাংসদ ভার্চুয়ালি যোগ দিয়েছিলেন। কিন্তু এদিন রাউতের সাংবাদিক সম্মেলনে দেখা যায়, তাঁর পাশে ছিলেন মাত্র তিনজন, সাওয়ান্ত, দেশাই ও রাজাভাউ ওয়াজে। বাকি ছয় সাংসদের অবস্থান অজানা।
লোকসভায় শিবসেনা (ইউবিটি)-র সাংসদ সংখ্যা নয়। অন্তত ছয়জন একসঙ্গে দলবদল করলে তবেই তারা অ্যান্টি-ডিফেকশন আইনের আওতা থেকে বাঁচতে পারবেন। এদিকে একনাথ শিন্ডে, যিনি ২০২২ সালে একক শিবসেনার ভাঙনের মূল হোতা ছিলেন এবং মহাবিকাশ আঘাড়ি সরকারকে নামিয়ে আনেন, তিনি বর্তমানে দিল্লিতে রয়েছেন বলে জানা গেছে।
ওম বিড়লার সঙ্গে বৈঠকের পর দেশাই সাংবাদিকদের বলেন, তাঁরা স্পিকারের কাছে একটি প্রতিনিধিত্ব জমা দিয়েছেন যাতে বেআইনি দলবদল ঠেকানো যায়। তাঁর বক্তব্য, ‘আইন অনুযায়ী, দুই-তৃতীয়াংশ সমর্থন পেলেও কোনও দল সরাসরি অন্য দলে মিশে যেতে পারে না। কেবল মূল দলই মিশতে পারে।’
রাউত অভিযোগ করেন, মহারাষ্ট্রের কিছু সাংসদকে দলে টানতে ৫০ কোটি টাকা পর্যন্ত প্রস্তাব দেওয়া হচ্ছে। তবে তিনি আশ্বস্ত করেছেন, স্পিকার বিড়লা তাঁদের বলেছেন যে, আইন অনুযায়ী প্রতিটি দিক বিবেচনা করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
