যুগশঙ্খ প্রতিবেদন
বড়খলা। ৫ আগস্ট
বড়খলায় জমাজলের সমস্যা নতুন নয়। অল্প বৃষ্টিতেই জমাজলে মিনি বন্যা হয়ে যায়। বর্তমানে ঘনবসতিতে এই সমস্যা আরও বাড়ছে। পূর্ত সড়কগুলির উচ্চতা বৃদ্ধিতে জমাজলের সমস্যা দ্বিগুণ হয়েছে। বিশেষ করে অসমমালার অধীনে সড়ক নির্মাণে শিলচর-জয়ন্তিয়া সড়কের দুই পাশের জল নিষ্কাশনের কাঁচা নালা বন্ধ হয়ে গেছে। যার ফলে অল্প বৃষ্টিতেই সড়কের পূর্বদিকের বসতবাড়ি জমাজলে আবদ্ধ হয়ে যায়। কোনও কোনও স্থানে জমাজল নিষ্কাশনের জন্য পাকা ড্রেন নির্মাণ করা হলেও বাস্তবে তা সেভাবে কাজে আসছে না। পাকা ড্রেন দিয়ে জমাজল বের হয়ে কোথায় গিয়ে পড়বে সেই ব্যবস্থা করা হয়নি। এতে শুধু সরকারি অর্থ অপচয় হওয়ার কথা বলেছেন অনেকেই।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বড়খলা হাসপাতাল রোডের দুই পাশে পাকা ড্রেন থাকলেও সড়কের উপর দিয়ে বইছে জমাজল। আসলে ড্রেন দু’টির বেশ কিছু অংশে আবর্জনা জমে জল বের হওয়ার পথ বন্ধ হয়ে গেছে। কয়েক বছর আগে পূর্ত রোড সাবডিভিশনের অধীনে ড্রেন দু’টি নির্মাণ করা হয়েছিল। এর জন্য কিছুটা ঠিকাদারের অদূরদর্শিতাকে দায়ী করছেন স্থানীয়রা। তাদের অভিযোগ, পূর্বদিকের ড্রেন জাটিঙ্গা নদীর সঙ্গে যুক্ত করলে ভাল হত। অপর ড্রেনটি বড়খলা দ্বিতীয় খণ্ডের বড় নালার সঙ্গে যুক্ত হলেও জমাজল নিষ্কাশন হচ্ছে না। দু’টি ড্রেন দিয়ে প্রথম দিকে কিছুটা জমাজল বের হলেও এখন প্রায় বন্ধ হয়ে পড়েছে। স্থানীয় জনগণের কিছুটা চেষ্টায় পূর্বদিকের ড্রেন দিয়ে আংশিক জল বড় নালায় গিয়ে পড়ছে। তবে বেশিরভাগই বড়খলা ডেইলি বাজারের সামনে শিলচর-জয়ন্তিয়া সড়কের উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। যার ফলে সড়কের উপর গর্তের সৃষ্টি হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে বড়খলা পূর্ত রোড টেরিটোরিয়াল সাবডিভিশন সহ বড়খলার বিধায়কও অবগত আছেন। কিন্তু স্থায়ী কোনও ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
শহরে ড্রেন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করার দায়িত্বে পুরসভা রয়েছে। কিন্তু গ্রামাঞ্চলে বিভিন্ন তহবিল থেকে ড্রেন নির্মাণ হলেও দেখাশোনার দায়িত্ব কার? গ্রামে নির্মাণ হওয়া ড্রেন অল্পদিনে আবর্জনায় ভরে যায়। তাছাড়াও বড়খলা প্রথম ও দ্বিতীয় খণ্ডে মাস্টার ড্রেন প্রকল্পের দাবিও উঠছে।
