ওয়েবডেস্ক। ৭ জুন
দেশের নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে সীমান্ত ও কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ২৪৪টি জেলায় অত্যাধুনিক বিমান হামলা সতর্কীকরণ ব্যবস্থা গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্র, যুদ্ধবিমান বা অন্য যে কোনও আকাশপথের হুমকি দ্রুত শনাক্ত করে সাধারণ মানুষকে সতর্ক করাই হবে এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য।
সরকারি সূত্রের খবর, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অধীন অগ্নিনির্বাপণ পরিষেবা, অসামরিক প্রতিরক্ষা এবং গৃহরক্ষী বাহিনীর শীর্ষ কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হবে। ইতিমধ্যেই বিমান প্রতিরক্ষা, রাডার পরিচালনা এবং আকাশ হামলা সতর্কীকরণ ব্যবস্থায় দীর্ঘ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন বিমানবাহিনীর প্রাক্তন কর্মকর্তাদের নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
প্রসঙ্গত, অপারেশন সিঁদুরের পর নিরাপত্তা ব্যবস্থার পর্যালোচনায় উঠে আসে, দেশের বহু পুরোনো সাইরেন ও সতর্কীকরণ পরিকাঠামো আর বর্তমান সময়ের চাহিদা পূরণে সক্ষম নয়। বিশেষ করে যুদ্ধক্ষেত্রে ড্রোন প্রযুক্তির দ্রুত বিস্তারের ফলে নাগরিক সুরক্ষার জন্য আরও কার্যকর ও আধুনিক ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তা স্পষ্ট হয়েছে।
নতুন প্রকল্পের আওতায় শুধু প্রযুক্তিগত পরিকাঠামোই নয়, অসামরিক প্রতিরক্ষা বাহিনীর স্বেচ্ছাসেবকদের প্রশিক্ষণ ব্যবস্থাও আধুনিক করা হবে। জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত প্রতিক্রিয়া ও সাধারণ মানুষের নিরাপদ সরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে বলে জানা গেছে।
প্রকল্পে দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষজ্ঞদের জন্য উচ্চ পর্যায়ের সামরিক অভিজ্ঞতা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার বাস্তব পরিচালনায় দক্ষতা থাকা প্রাক্তন কর্মকর্তাদেরই এই কাজে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। এরই মধ্যে রাজধানী দিল্লির আকাশসীমার নিরাপত্তা জোরদার করতে সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে নির্মিত উন্নত বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েনের প্রস্তুতিও শুরু হয়েছে। প্রতিরক্ষা মহলের মতে, আকাশপথে উদ্ভূত নতুন ধরনের হুমকির মোকাবিলায় এই পদক্ষেপ দেশের নিরাপত্তা কাঠামোকে আরও শক্তিশালী করবে।
