ওয়েবডেস্ক। ২৮ অক্টোবর
মাঠে নামলে বিরাট-বিরাট ছক্কা। সব বল বাউন্ডারির বাইরে। বিশ্বের তাবড় বোলাররা ভয় পায় বৈভব সূর্যবংশীকে (Vaibhav Sooryavanshi)। তবু বয়স তো আসলে মাত্র ১৫। দেশের ক্রিকেটভক্তরা তাঁকে ‘ছোট’ হিসেবেই দেখেন। তা ‘ছোটদের’ তো খেয়াল রাখতে হয়। তাই বিদেশের মাটিতেও ‘বড়দিদি’ পেয়ে গেল বৈভব। গ্যালারি থেকেও তিনি বিস্ময় প্রতিভার স্বাস্থ্যের খেয়াল রাখছেন, এমনকী ঠান্ডা না লাগানোর পরামর্শও দিয়ে গেলেন।
কে তিনি? আপাতত কেউ জানে না। এটুকু জানা গিয়েছে, সেই ‘বড়দিদি’র বাড়ি বালিয়ায়। অর্থাৎ বৈভবের মতো বিহারের বাসিন্দা। তবে তাঁর ভিডিও সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল। নিউজিল্যান্ডে তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে ঝড় তুলে দিয়েছিল বৈভব। ১৯ বলে ৪৫ রান করে। অভিষেক শর্মার সঙ্গে জুটিতে মাত্র ৫ ওভারে ১০০ রান তোলে ভারত। ৪০ বল বাকি থাকতেই ম্যাচ জিতে সিরিজ পকেটে ভরে নেয়।
ওয়েলিংটনে কাজটা কিন্তু যথেষ্ট কঠিন ছিল। বিশেষ করে আবহাওয়ার জন্য। প্রচণ্ড ঠান্ডার মধ্যে শ্রেয়স আইয়াররা রীতিমতো গ্লাভস পরে ঘুরছিলেন। ম্যাচের পর দর্শকদের কাছে গিয়ে অটোগ্রাফ দিচ্ছিল বৈভব। তখনও বেশ শৈত্যপ্রবাহ চলছিল। সেই সময় দর্শকদের মধ্যে থেকে এক মহিলা বলে ওঠেন, “বৈভব, আমরা বালিয়ার বাসিন্দা।” উত্তরে বৈভব শুধু মাথা নাড়ে। এরপর ওই মহিলা পরামর্শ দেন, “গরম জল খাবে বাবা। একদম ঠান্ডা জল খাবে না।”
এই সামান্য বক্তব্য। সেটাই সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল। ওই মহিলা কি এই ম্যাচ দেখতে ভারত থেকে গিয়েছেন? নাকি বালিয়ার বাসিন্দারা বর্তমানে প্রবাসী? নেটিজেনদের মতে, ওই মহিলা ভক্তের মধ্যে দিদিসুলভ ভালোবাসা ছিল। যেন ছোটভাইকে আগলে রাখার চেষ্টা। তার যেন ঠান্ডা না লাগে। বৈভবের বাড়ি সমস্তিপুরে। সেখান থেকে বালিয়ার দূরত্ব খুব বেশি নয়। অথচ সুদূর নিউজিল্যান্ডে গিয়ে যেন ‘পরিবার’ পেয়ে গেল সে।

error: Content is protected !!