ওয়েবডেস্ক। ২ জুন
কর্ণাটকের নতুন মন্ত্রিসভার রূপরেখা চূড়ান্ত করতে মঙ্গলবার নয়াদিল্লিতে কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে ম্যারাথন বৈঠক করলেন হবু মুখ্যমন্ত্রী ডি কে শিবকুমার এবং বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া। সূত্রের খবর, শিবকুমার প্রথমে একটি ছোট মন্ত্রিসভা নিয়ে শপথ নেবেন। পরে তা সম্প্রসারিত হবে। তিনি ৩ জুন বিকেল ৪টা ৫ মিনিটে বেঙ্গালুরুতে লোক ভবন প্রাঙ্গণে শপথ নেবেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী।
এদিন শিবকুমার ও সিদ্দারামাইয়া কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে এবং রাহুল গান্ধীর সঙ্গে বৈঠক করেন। আলোচনায় অংশ নেন কংগ্রেস সাধারণ সম্পাদক কে সি বেণুগোপাল এবং কর্ণাটক প্রদেশ কংগ্রেসের দায়িত্বপ্রাপ্ত এআইসিসি সাধারণ সম্পাদক রণদীপ সুরজেওয়ালা।
কর্ণাটকের মন্ত্রিসভা সর্বোচ্চ ৩৪ জন সদস্য নিয়ে গঠিত হতে পারে, যার মধ্যে মুখ্যমন্ত্রীও অন্তর্ভুক্ত। সীমিত আসনের জন্য বিপুল সংখ্যক প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ফলে শিবকুমারের জন্য এটি মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে প্রথম বড় পরীক্ষা।
সূত্রের মতে, অভিজ্ঞ ও নতুনদের মিশ্রণে গঠন হবে কর্ণাটকের নতুন মন্ত্রিসভা। জাতি-গোষ্ঠী সমীকরণ, আঞ্চলিক ভারসাম্য এবং আনুগত্যের বিষয়গুলো বিশেষ গুরুত্ব পাবে। একাধিক উপমুখ্যমন্ত্রী নিয়োগের সম্ভাবনাও রয়েছে, যার মধ্যে একজন দলিত নেতা থাকতে পারেন। জি পারমেশ্বর ও প্রিয়াঙ্ক খাড়গে শীর্ষ প্রতিদ্বন্দ্বীদের মধ্যে রয়েছেন।
সিদ্দারামাইয়ার ছেলে যাথীন্দ্রও মন্ত্রিসভায় জায়গা পাওয়ার আশা করছেন। তিনি ইতিমধ্যেই বলেছেন, দলীয় হাইকমান্ড তাঁকে আশ্বাস দিয়েছে। দলীয় নেতৃত্ব সিদ্দারামাইয়াকে রাজ্যসভায় পাঠানোর জন্য চাপ দিচ্ছে, তবে তিনি রাজ্য রাজনীতিতেই সক্রিয় থাকতে চান। পাশাপাশি, কার্যকর সমন্বয়ের জন্য সিদ্দারামাইয়ার নেতৃত্বে একটি যৌথ সমন্বয় কমিটি গঠনের কথাও ভাবা হচ্ছে।
এছাড়া কর্ণাটক প্রদেশ কংগ্রেস কমিটির নতুন সভাপতি কে হবেন, তা নিয়েও আলোচনা চলছে। বরিষ্ঠ বিধায়ক সতীশ জারকিহোলি সম্ভাব্য প্রার্থী হলেও তিনি একইসঙ্গে মন্ত্রিসভায় জায়গা চাইছেন, যা সমীকরণকে আরও জটিল করছে।
