ওয়েবডেস্ক। ১ জুন
আগেরবার আরসিবি আইপিএল জেতার পর ভয়াবহ পরিস্থিতি হয়েছিল চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে। বিরাট কোহলিদের সেলিব্রেশনের সঙ্গী হতে গিয়ে মৃত্যু হয়েছিল ১১ জনের। এবার আর তাই কোনও ঝুঁকি নিতে নারাজ ফ্র্যাঞ্চাইজি। আরসিবি সিদ্ধান্ত নিয়েছে, এ বছর কোনও বিজয়োৎসব হবে না। কোনওরকম বিজয় শোভাযাত্রার আয়োজন করা হবে না।
দু’হাত প্রসারিত। চোখে তৃপ্তির ঝিলিক। বিরাট কোহলির ব্যাট থেকে উইনিং শট বেরিয়ে আসার উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ছে নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়াম। টানা দ্বিতীয়বার আইপিএল জিতে ইতিহাস গড়েছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। কিন্তু সেই জয়ের উদযাপনে এবার আর একত্রিত হতে পারবেন না আরসিবি সমর্থকরা। ফ্র্যাঞ্চাইজির সিদ্ধান্ত, এবার কোনও বিজয়োৎসব নয়। আরসিবির তরফে সমর্থকদের কাছে অনুরোধ করা হয়েছে, ‘আপনারা নিরাপদ থেকে বাড়িতেই সেলিব্রেট করুন।’
আসলে ট্রফি নিয়ে সোমবারই বেঙ্গালুরু ফিরেছে দল। রাতারাতি সেলিব্রেশনের আয়োজন সম্ভব নয়। তাতে হীতে-বিপরীত হতে পারে। আগেরবারের মতো পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। আবার বুধবারও কোনও সেলিব্রেশনের আয়োজন সম্ভব নয়। কারণ ওইদিন লোকভবনে মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নেবেন ডিকে শিবকুমার। তাতে প্রচুর মানুষ উপস্থিত থাকবেন। ফলে পুলিশি অনুমতি পাওয়া দুষ্কর। আর বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ক্রিকেটাররা নিজ নিজ বাড়ি ফিরে যাবেন। ফলে এই মরশুমে ট্রফি জিতলেও সেলিব্রেশন হচ্ছে না আরসিবি ভক্তদের।
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালে ১৭ বছরের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে প্রথমবার আইপিএল ট্রফি জেতে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু।এর পরদিনই বেঙ্গালুরু ফেরে কোহলি অ্যান্ড কোং। পুলিশের অনুমতি না মেলায় সেদিন হুড খোলা বাসে সেলিব্রেশনের আয়োজন বাতিল হলেও সেদিনই চিন্নাস্বামীতে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। স্টেডিয়ামে শুরু হয় বিজয়োৎসব। তাতেই ১১ জন প্রাণ হারান। আহত হন ৬৭-রও বেশি। প্রায় পাঁচ হাজার নিরাপত্তারক্ষীর উপস্থিত থাকলেও দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়নি। তাই সম্ভবত এবার আর ঝুঁকি নিতে চাইছেন না আরসিবি কর্তারা।
